ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি এইচ এম হোসেন।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিনি এই শ্রদ্ধা জানান। মহানগর বিএনপির প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় নেতা জাকির খানের পক্ষে এই শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এইচ এম হোসেন বলেন, “১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার অভূতপূর্ব ঐক্যের মাধ্যমেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথ উন্মুক্ত হয়েছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সেদিন দেশকে এক গভীর ক্রান্তিকাল থেকে রক্ষা করে সঠিক ও গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে এনেছিলেন। তার দেশপ্রেম, সততা এবং জনকল্যাণমূলক রাজনীতি আজও আমাদের দেশের তরুণ প্রজন্ম ও রাজনৈতিক কর্মীদের জন্য সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।”
এ সময় তিনি জাকির খানের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা প্রকাশ করে হোসেন আরও বলেন, “নেতৃত্ব কেবল ক্ষমতার মোহ নয়, বরং সাহসিকতা, ত্যাগের মানসিকতা এবং জনগণের অধিকার আদায়ের সুদৃঢ় প্রতিজ্ঞা। নারায়ণগঞ্জের রাজপথের পরীক্ষিত ও আপসহীন নেতা জাকির ভাই সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর এবং রাজপথের নেতাকর্মীদের প্রধান আস্থার প্রতীক। দুঃসময়েও তিনি নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছেন এবং জনগণের পাশে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর এই আদর্শিক ও সাহসী নেতৃত্ব থেকে শিক্ষা নিয়েই আমরা আজ নতুন বাংলাদেশের বিনির্মাণে এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে রাজপথে সোচ্চার রয়েছি।”
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে এবং জাকির খানের দিকনির্দেশনায় নারায়ণগঞ্জের মাটিতে গণতন্ত্রের সুবাতাস বইয়ে দিতে এবং জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ছাত্রসমাজ সবসময় ঐক্যবদ্ধভাবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।