রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণা :
সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন সিটি নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা ছয় বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা: ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে সিটি নিউজের সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন।

কাশীপুরে বইছে পরিবর্তনের হাওয়া

ষড়যন্ত্রের জাল ছিঁড়ে মানুষের হৃদয়ে আরও উঁচুতে এইচ এম হোসেন

সিটি নিউজ / ১৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কাশীপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে একের পর এক মানবিক ও উন্নয়নমূলক কাজ করে স্থানীয়দের হৃদয়ে ঠাঁই করে নিচ্ছেন জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি এবং কাশীপুর ৩নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী এইচ এম হোসেন। জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও মহানগর বিএনপির অন্যতম নেতা জাকির খানের এই একনিষ্ঠ কর্মী নিজ উদ্যোগ ও অর্থায়নে এলাকাভিত্তিক জনভোগান্তি লাঘব এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।

জানাগেছে, কাশীপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে ড্রেনের জমা পানি ও জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত ছিল সাধারণ মানুষের জীবন। অবহেলিত ও চলাচলের অনুপযোগী এসব রাস্তা সংস্কারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ না থাকলেও, ঠিক সেই চরম দুর্ভোগের দিনে কাশিপুরের সাধারণ মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি এবং কাশীপুর ৩নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী এইচ এম হোসেন।
গত ১৬ অক্টোবর (শুক্রবার) সকালে জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি এইচ এম হোসেন এবং ফতুল্লা থানা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আল ফয়সাল বেপারীর দূরদর্শী ও মানবিক নেতৃত্বে নিজস্ব অর্থায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা সংস্কার করা হয়। কাজের সময় তারা দুজন নিজে উপস্থিত থেকে তদারকি করে রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করে তোলেন।
এর আগে, গত ১০ অক্টোবর (শনিবার) বকুলতলা বালুর মাঠ সংলগ্ন বেহাল রাস্তাটিও একই উদ্যোগে সংস্কার করে দেওয়া হয়, যা থেকে মুক্তি পেয়েছে হাজারো পথচারী। জলজট ও চলাচলের ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে আবেগপ্লুত কণ্ঠে স্থানীয় এক বর্ষীয়ান বাসিন্দা বলেন, “ড্রেনের পচা পানিতে রাস্তা ডুবে থাকত, হাঁটাচলাই করা যেত না। বহুবার অনেক জনপ্রতিনিধিকে বলার পরও কেউ সমাধান করেনি। অবহেলা ও দুর্ভোগই ছিল আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। অবশেষে মৎস্যজীবী দলের নেতৃবৃন্দ এইচ এম হোসেন ও আল ফয়সাল বেপারী ভাইেরা আমাদের এই দীর্ঘদিনের কষ্ট অনুধাবন করেছেন। নিজেদের পকেটের টাকা খরচ করে রাস্তাগুলো ঠিক করে দিয়েছেন। তাদের এই নিঃস্বার্থ ও মানবিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। আমরা তাদের এই মহতী কাজের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি এবং তাদের উত্তরোত্তর সাফল্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। এমন মানুষকেই আমরা সব সময় পাশে পেতে চাই।”
রাস্তা সংস্কারের পাশাপাশি এলাকাটিতে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসার আয়োজন করেও সর্বস্তরের মানুষের প্রশংসা ও আস্থা কুড়িয়েছেন এইচ এম হোসেন। টানা এসব সামাজিক সেবামূলক কাজের মাধ্যমে তিনি ৩নং ওয়ার্ডবাসীর মাঝে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
শুধু মানবিক বা সামাজিক কাজই নয়, এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় এবং সন্ত্রাসবিরোধী কর্মকাণ্ডেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছেন এই নেতা।
পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে এবং এর বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে গত ২৮ অক্টোবর (বুধবার) বিকেলে এইচ এম হোসেনের নেতৃত্বে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। কাশীপুর ৩নং ওয়ার্ডস্থ উত্তর নরসিংপুর জেলা মৎস্যজীবী দলের অস্থায়ী কার্যালয় (শামসুল আলমের মোড়) থেকে শুরু হয়ে সহস্রাধিক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে মিছিলটি দীঘলিপট্টি, চর কাশীপুর ও মধ্য নরসিংপুর প্রদক্ষিণ করে কাশীপুর পাওয়ার হাউজ মাঠে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এদিকে একটি স্বার্থান্বেষী মহল এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এইচ এম হোসেনের অব্যাহত মানবিক সাফল্য ও ক্রমবর্ধমান সমর্থনে ঈর্ষান্বিত হয়ে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক নানা অপপ্রচার চালালেও তাতে বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি তার জনপ্রিয়তায়। বরং সময়ের সাথে সাথে ৩নং ওয়ার্ডের অলিগলিতে এইচ এম হোসেনের গ্রহণযোগ্যতা ও পরিচিতি দিন দিন আকাশচুম্বী হয়ে উঠছে।
এলাকার মানবিক কার্যক্রম, রাজনৈতিক চক্রান্ত এবং মেম্বার পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এইচ এম হোসেন অত্যন্ত আবেগঘন ও দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “আমি ক্ষমতার জন্য বা রাজনৈতিক সুবিধার জন্য রাজনীতি করি না। রাজনৈতিক আদর্শের গুরু, আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা জাকির খান ভাই আমাকে শিখিয়েছেন মানুষের পাশে থাকতে, অবহেলিত মানুষের কষ্ট ভাগ করে নিতে। কাশীপুর ৩নং ওয়ার্ডের এই মাটি ও মানুষ আমার অত্যন্ত আপন। দীর্ঘদিন ধরে দেখেছি এই ওয়ার্ডের মানুষ কীভাবে মৌলিক অধিকার ও যাতায়াতের সামান্য সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। পচা ড্রেনের পানি মাড়িয়ে বাচ্চাদের স্কুলে যেতে হতো, বয়স্ক মানুষরা বের হতে পারতেন না। এই দৃশ্যগুলো আমার হৃদয়কে গভীরভাবে রক্তাক্ত করেছে। কারো মুখাপেক্ষী না থেকে তাই নিজের সাধ্যমতো ও সহযোদ্ধাদের নিয়ে মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করেছি।*
তিনি বলেন, “অনেকে হয়তো নির্বাচনে পদ-পদবির আশায় এসব করেন, কিন্তু আমি বলবো— পদ থাক বা না থাক, এইচ এম হোসেন আজীবন কাশীপুরের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকবে। যদি আমার এলাকার সম্মানীয় মুরুব্বি ও সর্বস্তরের জনগণ আমাকে তাদের সেবা করার সুযোগ দেন এবং ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার হিসেবে দেখতে চান, তবে এটি আমার জন্য সম্মানের। কিন্তু আমার মূল লক্ষ্য মেম্বার হওয়া নয়, আমার মূল লক্ষ্য কাশীপুর ৩নং ওয়ার্ডকে সন্ত্রাসমুক্ত, মাদকমুক্ত, পরিচ্ছন্ন ও একটি মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলা। যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে, আমি তাদের প্রতি ঘৃণা বা ক্ষোভ রাখি না; আমি আমার কাজের মাধ্যমেই সব ষড়যন্ত্রের জবাব দেব। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা আর পাশে থাকার সুযোগ চাই।”
মানবিক কার্যক্রমের এ ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এলাকায় যেভাবে এইচ এম হোসেন নতুন আলো ছড়াচ্ছেন, তাতে আগামী দিনে ৩নং ওয়ার্ডের নেতৃত্ব ও সার্বিক উন্নয়নে তাকেই অগ্রভাগে দেখছেন সর্বস্তরের কাশীপুরবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বিভাগীয় সংবাদ এক ক্লিকেই