নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জনপ্রিয় নেতা জাকির খানের ৫৪তম জন্মদিন আজ। রাজনৈতিক জীবনের নানা চড়াই-উৎরাই, জেল-জুলুম ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে নিজেকে নারায়ণগঞ্জের গণমানুষের নেতায় পরিণত করা এই রাজনীতিকের জন্মদিনে সর্বস্তরের মানুষ ও অনুসারীদের ভালোবাসার জোয়ার বইছে।
আজ থেকে প্রায় ৫৪ বছর আগে নারায়ণগঞ্জের দেওভোগের ঐতিহ্যবাহী খান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন জাকির খান। তাঁর পিতা বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দানবীর মরহুম দৌলত হোসেন খান। পারিবারিক শিক্ষা ও আদর্শকে সম্বল করে তরুণ বয়সেই রাজপথের রাজনীতিতে পা রাখেন তিনি
নেতাকর্মীদের মতে, সততা, মেধা ও দায়িত্বশীলতার জোরেই তিনি তৃণমূলের আস্থা অর্জন করেছেন। স্বৈরাচারী শাসনের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে নানা প্রলোভন ও হুমকি আসলেও নিজের আদর্শ থেকে একচুলও বিচ্যুত হননি জাকির খান। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও নীতিতে অটল থেকে রাজপথে লড়াই করতে গিয়ে বারবার কারাবরণ ও হুলিয়ার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। ফলে জেল-জুলুমই যেন তাঁর রাজনৈতিক জীবনের মূল অলঙ্কার হয়ে উঠেছে
শুধু বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝেই নয়, নারায়ণগঞ্জের সর্বস্তরের ও সব পেশার মানুষের কাছেই জাকির খান এক আস্থার নাম। বিশেষ করে তরুণ সমাজের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা আকাশচুম্বী।
রাজপথে তাঁর উপস্থিতি মাত্রই রূপ নেয় জনসমুদ্রে। সহযোদ্ধারা বলেন, ‘অসত্যের কাছে কভূ নত নহে শির, ভয়ে কাঁপে কাপুরুষ লড়ে যায় বীর’—এই মূলমন্ত্রকেই জীবনের আদর্শ বানিয়েছেন তিনি। আপসহীন রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই নারায়ণগঞ্জের সাধারণ মানুষ তাঁকে ‘গণমানুষের নেতা’ হিসেবে বুকে টেনে নিয়েছে।
জাকির খানের জন্মদিন উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দিনভর শুভেচ্ছার ঝড় উঠেছে। নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা প্রিয় নেতার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করে নানাধরনের পোস্ট ও আবেগঘন মন্তব্য করছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক সমর্থক লিখেছেন, “আমার রাজনৈতিক অভিভাবক, আপনার সুস্বাস্থ্য, সফলতা এবং দীর্ঘায়ু কামনা করি। অনেক অনেক শুভেচ্ছা আর ভালোবাসা রইলো প্রিয় ভাই আমার।”
অন্য এক অনুসারী মন্তব্য করেছেন, “জনগণের হৃদয়ে যার জায়গা, তিনিই প্রকৃত নেতা। আমাদের প্রিয় নেতা, আপনি শুধু একজন ব্যক্তি নন, আপনি আমাদের একটি বিশ্বাস। শুভ জন্মদিন খান সাহেব।”
জন্মদিনের এই আমেজে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, সকল প্রতিকূলতা কাটিয়ে নারায়ণগঞ্জের মাটি ও মানুষের কল্যাণে জাকির খান আরও বহুদূর এগিয়ে যাবেন।