বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণা :
সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন সিটি নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা ছয় বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা: ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে সিটি নিউজের সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন।

২১ জুলাইয়ের হামলায়ও দমানো যায়নি মিঠুকে, আক্ষেপ ‘আওয়ামী পুনর্বাসন’ নিয়ে

সিটি নিউজ / ৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের সেই বিভীষিকাময় স্মৃতির ক্ষত আজও বয়ে বেড়াচ্ছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও মহানগর পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সদস্য সচিব শ্রী ঋষিকেশ মন্ডল মিঠু। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখা এবং বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকার অপরাধে তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সশস্ত্র নেতাকর্মীদের বর্বর হামলার শিকার হতে হয়েছিল তাকে ও তার পরিবারকে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সেইদিনের সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন বিএনপির এই নেতা।

ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে মিঠু জানান, ২০২৪ সালের ২১ জুলাই বন্দর বাজার সংলগ্ন তার নিজ বাড়িতে সশস্ত্র হামলা চালায় তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীরা। হামলাকারীরা কোপানোর পাশাপাশি ঘরের টিন ও দরজা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। এ সময় তার সহধর্মিণী ও বোন বাধা দিতে গেলে তাদের ওপরও চড়াও হয় এবং তাদেরকে চরমভাবে হেনস্তা করা হয়। বাড়িতে তান্ডব চালিয়ে হামলাকারীরা হুমকি দিয়ে বলে, “মিঠু যদি আবারও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদের পক্ষ নেয়, তবে তাকে কুপিয়ে মেরে ফেলা হবে।” তবে সেই মৃত্যুভয়কে উপেক্ষা করে ছাত্রদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই চালিয়ে যান তিনি এবং ৫ আগস্ট অর্জিত বিজয়ের পরই ঘরে ফেরেন।

বিগত আওয়ামী শাসনামলের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে গভীর দুঃখ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মিঠু। তিনি আক্ষেপ করে জানান, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে নানা অত্যাচার-নির্যাতন ও ত্যাগ সহ্য করার পর আজ দল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসলেও তাঁরা একপ্রকার উপেক্ষিত ও অবহেলিত। যে ফ্যাসিবাদের দোসর ও পদধারী আওয়ামী নেতারা বিগত দিনে বিএনপি কর্মীদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়েছে এবং পুলিশ দিয়ে হয়রানি করেছে, তারা আজও বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এমনকি বিএনপিরই কিছু জ্যেষ্ঠ নেতার আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে থেকে তারা সনাতন ধর্মীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান পরিচালনা করছে, যা ত্যাগী নেতাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটাচ্ছে।

বিশেষ করে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এবং বৈষম্যবিরোধী মামলার আসামি শিখণ সরকার শিপনের উদাহরণ টেনে মিঠু প্রশ্ন তোলেন, কীভাবে আদালতের জামিন ছাড়াই একজন চিহ্নিত আসামি প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায় এবং ডিসি-এসপি অফিসে যাতায়াত করার দুঃসাহস পায়? গডফাদার শামীম ওসমান ও সেলিম ওসমানের ডান হাত হিসেবে পরিচিত এই ফ্যাসিস্ট দোসরদের কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না, তা নিয়ে তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একই সাথে মহানগর বিএনপির যেসকল জ্যেষ্ঠ নেতা এসব সুবিধাভোগীদের আশ্রয় দিচ্ছেন, তাঁদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়ে মিঠু বলেন, সাধারণ ও ত্যাগী কর্মীদের প্রতি ন্যূনতম ভালোবাসা থাকলে অনতিবিলম্বে এসব ফ্যাসিস্ট দোসরদের হাত ছেড়ে দিয়ে তাঁদের বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানো হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বিভাগীয় সংবাদ এক ক্লিকেই