বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণা :
সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন সিটি নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা ছয় বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা: ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে সিটি নিউজের সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন।

না.গঞ্জে ডেঙ্গু রুখতে ২৭ ওয়ার্ডে নামছে নাসিক: প্রশাসকের কড়া নির্দেশনা

সিটি নিউজ / ৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) ২৭টি ওয়ার্ড জুড়েই মশক নিধন কার্যক্রম জোরদারের কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের কাজের গতি বাড়াতে সুরক্ষা সামগ্রী ও যন্ত্রপাতি বিতরণসহ সফল কর্মীদের বিশেষ পুরস্কৃত করেছে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ। সোমবার সকাল ১১টায় নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে নাসিকের স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান।

মাঠপর্যায়ের কাজের সুবিধার্থে ও কর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ২৭টি ওয়ার্ডের কর্মীদের হ্যান্ড গ্লাভস, গামবুট ও মাস্ক দেওয়া হয়। পাশাপাশি সচেতনতা বাড়াতে ও মশক নিধনে প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে হ্যান্ড মাইক ও দুটি করে হ্যান্ড স্প্রে স্প্রে মেশিন হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চলতি বছরের জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে কোনো ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়নি। এই অনন্য সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ দায়িত্বপ্রাপ্ত সুপারভাইজার আলতা মাশুল ইসলামকে ২ হাজার টাকা এবং ১৫ জন মশক নিধনকর্মীকে ১ হাজার টাকা করে নগদ পুরস্কার দেওয়া হয়। একই সাথে ৭ ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে কোনো রোগী না থাকলেও পার্শ্ববর্তী ওয়ার্ডগুলোতে আক্রান্তের হার বেশি থাকায় সেগুলোকে যৌথ মূল্যায়নে রাখা হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে যেসব ওয়ার্ড ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা শূন্যের কোঠায় রাখতে পারবে, তাদেরও পুরস্কৃত করার ঘোষণা দেন প্রশাসক।

আক্রান্তের চিত্র তুলে ধরে প্রশাসক জানান, নাসিকের ১ নম্বর ওয়ার্ডে ১২ জন এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৬৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে, তবে ২ নম্বর ওয়ার্ডে কোনো রোগী নেই। ৩ নম্বর ওয়ার্ডে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হওয়ায় সেখানে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশন এলাকায় এ পর্যন্ত প্রায় ৫০০ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হলেও এখন পর্যন্ত কেউ মারা যাননি।

মশক নিধনে একগুচ্ছ কঠোর নির্দেশনা দিয়ে সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, কোনো এলাকায় ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হলে সঙ্গে সঙ্গে তার ২০০ গজের মধ্যে বিশেষভাবে মশক নিধন কার্যক্রম চালাতে হবে। ওয়ার্ড সচিবদের মশক নিধন কার্যক্রমের মূল চালিকাশক্তি উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করে দেন যে আজ থেকেই সব ধরনের ফাঁকিবাজি বন্ধ করতে হবে। দায়িত্বে অবহেলার কারণে মশার বৃদ্ধিতে কারো মৃত্যু হলে এর দায় সবাইকে নিতে হবে। এছাড়া প্রতি শনিবার নিজ নিজ ওয়ার্ডে বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়ে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার নির্দেশ দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে নাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নূর কুতুবুল আলম, নগর পরিকল্পনাবিদ মো. মঈনুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আজগর হোসেন, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ডা. শেখ মোস্তফা আলী ও সাবেক কাউন্সিলর শওকত হাসেম শকুসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বিভাগীয় সংবাদ এক ক্লিকেই