মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণা :
সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন সিটি নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা ছয় বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা: ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে সিটি নিউজের সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন।

দেওভোগের ঐতিহ্যবাহী জিউস পুকুরের পরিচ্ছন্ন কাজ পরিদর্শন করছেন সাখাওয়াত

রিপোটারের নাম / ৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬

দেওভোগের ঐতিহ্যবাহী জিউস পুকুরের পরিচ্ছন্ন কাজ পরবদর্শন করছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট হোসেন খান। সোমবার (০৮ জুন) দুপুরের দিকে তিনি এ কাজ পরিদর্শনে আসেন।

এসময় তিনি পুকুরের পাশে অবস্থিত গৌরনিতাই মন্দিরও পরিদর্শন করেন। পরে তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জ শহরের আখড়া এলাকার জিউস পুকুরকে আধুনিক দিঘিতে রূপান্তর এবং এর পাশে একটি মডেল মন্দির নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। জলাধার সংরক্ষণ, ধর্মীয় স্থাপনা উন্নয়ন এবং জনসাধারণের বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করে এলাকাটিকে একটি আকর্ষণীয় কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে শহরের আখড়া এলাকায় জিউস পুকুর পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সমন্বিত উন্নয়নের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জকে একটি গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন সিটিতে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জিউস পুকুরকে সংরক্ষণ করে এটিকে একটি বৃহৎ দিঘিতে রূপান্তর করা হবে। দিঘির চারপাশে ঘাটলা, ওয়াকওয়ে, রেলিং ও সিঁড়ির ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি পানির মান উন্নয়ন করে মানুষের গোসল ও সাঁতার শেখার উপযোগী পরিবেশ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন স্থান থেকে মডেল মন্দির নির্মাণের প্রস্তাব এলেও জিউস দিঘিকে কেন্দ্র করেই সেই মন্দির নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দিঘি ও মন্দিরের সমন্বয়ে এলাকাটিকে আরও সুন্দর, প্রাণবন্ত ও দর্শনার্থীবান্ধব করা হবে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কচুরিপানা ও ময়লায় ভরাট হয়ে থাকা পুকুরটি ইতোমধ্যে পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে অবৈধ দোকানপাট অপসারণের পর ভারী যন্ত্রপাতি এনে খনন ও সংস্কার কাজ শুরু করা হবে। অপসারণ করা ময়লা তাৎক্ষণিকভাবে সরিয়ে নেওয়া হবে যাতে পরিবেশ দূষণ না ঘটে।

সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, বর্তমানে জলাধারটি মশার প্রজননকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে, যা ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। পুকুরটি পরিষ্কার ও সংরক্ষণ করা গেলে জনস্বাস্থ্যের জন্যও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

তিনি আরও বলেন, উন্নয়নকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর দিঘি ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠন করা হবে। স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে দিঘি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ ময়লা-আবর্জনা ফেলে এর সৌন্দর্য নষ্ট করতে না পারে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনির হোসেন খান, ১৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাজী মনির হোসেন ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শিখন সরকার শিপনসহ আরও অনেকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বিভাগীয় সংবাদ এক ক্লিকেই