মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণা :
সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন সিটি নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা ছয় বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা: ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে সিটি নিউজের সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন।

এমপি আল আমিনের মন্তব্যে উত্তপ্ত কাশীপুর, ‘হাওয়ায় ভাসানো কথায় সুনাম নষ্ট করবেন না’

সিটি নিউজ / ৩৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিনের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কাশীপুরে ‘ডাকাত শহীদ গ্যাং একটি বড় সমস্যা’—এমপির এমন বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন কাশীপুর ঈদগাহ্ কমিটির সদস্য ও স্থানীয় সমাজসেবক মো. শহীদ। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেছেন, অপরাধের প্রমাণ পেলে যেকোনো শাস্তি মাথা পেতে নিতে রাজি আছেন তিনি।

গত রবিবার (১২ জুলাই) নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, “কাশীপুরে ডাকাত শহীদ গ্যাং একটি বড় সমস্যা। প্রতিদিন এটা পত্র-পত্রিকায় দেখা যায়।”

এমপির এই বক্তব্যের পর পরই স্থানীয় এলাকাবাসী এবং শ্রমিক মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

এমপির এই বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি ও কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শহীদ বলেন, “আমি কবে, কোথায় ডাকাতি করেছি এমপি সাহেব তার প্রমাণ দেখান। এভাবে হাওয়ায় ভাসানো কথা বলে সমাজে আমার দীর্ঘদিনের সুনাম নষ্ট করবেন না। আমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সমাজসেবা করে আসছি। আমার মাধ্যমে এলাকার মানুষ নানা বিষয়ে সুরাহা ও ন্যায়বিচার পেয়ে থাকে। হয়তো কোনো সালিশ-বিচারে কেউ পরাস্ত হয়ে এমপি সাহেবের কাছে আমার বিরুদ্ধে ভুল ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে তাকে বিভ্রান্ত করেছে।”

তদন্তের আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “আমি প্রশাসন ও সাংবাদিকদের অনুরোধ করব, আপনারা সরেজমিনে এলাকায় এসে আমার বিষয়ে খোঁজখবর নিন। যদি আমার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ বা ডাকাতির প্রমাণ পান, তবে আইন ও সমাজ আমাকে যে শাস্তি দেবে, আমি তা মাথা পেতে নেব।”

স্থানীয়দের মতে, কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধির মুখে এমন মন্তব্য অনভিপ্রেত। বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে কাশীপুরসহ পুরো নারায়ণগঞ্জ জুড়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বিভাগীয় সংবাদ এক ক্লিকেই