আলীরটেক ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত ও দূর্ঘটনা বলে দাবি করেছেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু। তিনি বলেছেন, আমি তাকে রক্তাক্ত করার উদ্দেশ্যে ধাক্কা দেইনি। তিনি একটি ভুল করলে তার উপর আমিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ সকলেরই রাগ হয়। পরে রাগের মাথায় আমি তাকে সরিয়ে দিতে গেলে আমার হাতের আংটি-টি লেগে তার গাল সামান্য একটু কেটে যায়। এছাড়া আর কিছুই সেদিন ঘটেনি। কিন্তু কোন একটি মহল এ ঘটনাকে পূঁজি করে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। ঘটনাটিকে রং মেখে ভিন্নভাবে পরিবেশন করে আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। আমি এ ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িতদের ধিক্কার জানাই।
শনিবার রাতে গণমাধ্যমকে দেয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।
টিপু বলেন, গতকাল ৩০ মে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলিরটেক ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানটি ডিগ্রিরচর ঘাটে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো। যখন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নাসিক প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হন তখন সেখানে কোন অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিল না। বরং সেই অনুষ্ঠানটি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে আয়োজন করা হয়। কারণ, অত্র ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে রেষারেষি থাকায় তারা স্থান পরিবর্তন করে। যা আমাদের জানানো হয় নি। পরবর্তীতে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হলে সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করার সময় আমি তাকে ধাক্কা দেই। ওই সময় দূর্ঘটনা বশত আমার হাতের আংটি তার গালে লেগে গিয়ে কেটে যায়।
তিনি বলেন, আমি আনোয়ারকে শাসন করেছি মাত্র, তাকে রক্তাক্ত করার কোন উদ্দ্যেশ আমার ছিল না। কিন্তু এ ঘটনাকে যারা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছড়াতে চান, তারা আর যাইহোক শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক হতে পারেনা। পরিশেষে শুধু এইটুকুই বলবো বলবো, আল্লাহ্ তাদের হেদায়েত দান করুক।