রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ন
বিশেষ ঘোষণা :
সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন সিটি নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা ছয় বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা: ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে সিটি নিউজের সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন।

১৭ বছরের লড়াইয়ে জাকির খানের ঝান্ডা আঁকড়ে রাখা ত্যাগী নেতা হাজী রতন কেন আড়ালে?

সিটি নিউজ / ৫১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬

বিগত ১৭ বছর ধরে রাজপথে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রভাগে থাকা, একের পর এক রাজনৈতিক হামলায় জর্জরিত হয়েও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের কাছে নতি স্বীকার না করা রাজপথের ত্যাগী নেতার নাম হাজী রতন। নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জাকির খানের একনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত অনুসারী হিসেবে পরিচিত মহানগর মৎস্যজীবী দলের সাবেক এই সিনিয়র সহ-সভাপতি আক্ষেপ করে বলেছেন, রাজপথের কঠিন লড়াইয়ে যারা রক্ত ও ঘাম ঝরিয়েছেন, দল আজ সুসময়ে আসার পর এবং প্রিয় নেতা কারামুক্তির পরও সেই ত্যাগী নেতাকর্মীরাই আজ একধরনের অবমূল্যায়নের শিকার হচ্ছেন।

রবিবার (৮ নভেম্বর) সকালে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে আলাপকালে নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও বর্তমান বাস্তবতা নিয়ে ক্ষোভ ও আক্ষেপ প্রকাশ করে এসব কথা বলেন তিনি।

সংবাদকর্মীদের দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় হাজী রতন বিগত স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, একের পর এক রাজনৈতিক ও মিথ্যা মামলার কারণে জাকির খান যখন দেশান্তরে ছিলেন, তখন নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে তার পতাকা বা ঝান্ডা তুলে ধরার মতো সাহসী মানুষের ভীষণ অভাব ছিল। ঠিক সেই কঠিন ও ভয়াল সময়ে তার মতো ‘জাকির খান অনুসারী’ ও ত্যাগী রাজপথের যোদ্ধারাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জাকির খানের ঝান্ডা ও আদর্শের পতাকা হাতে তুলে নিয়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরে এমন কোনো আন্দোলন-সংগ্রাম ছিল না যেখানে আমিসহ জাকির খানের অনুসারীরা রাজপথে ছিলেন না। পুলিশের দফায় দফায় হামলা, টিয়ারশেল, লাঠিচার্জ এবং ডজন ডজন মিথ্যা মামলা মাথায় নিয়েও রাজপথ আঁকড়ে ধরে রেখেছিলেন তারা। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী বা তৎকালীন স্বৈরাচারী প্রশাসনের সাথে বিন্দুমাত্র আপস বা আঁতাঁত করেননি। সরকারের সব ধরণের নির্যাতন ও জেল-জুলুমকে উপেক্ষা করে রাজপথে বজ্রকণ্ঠে কেবল একটিই আওয়াজ তুলেছিলেন— ‘জাকির খান, জাকির খান’।

হাজী রতন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আজ যখন ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটেছে, দল যখন অনুকূল পরিস্থিতিতে এবং আমাদের প্রিয় নেতা জাকির খানও যখন মিথ্যা মামলায় বেকসুর খালাস হয়ে মুক্তিলাভ করেছেন, ঠিক এই আনন্দ ও সুসময়ে এসে আমাদের মতো ত্যাগী ও নির্যাতন সহ্য করা নেতাকর্মীরা খানিকটা অবমূল্যায়নের শিকার হচ্ছেন। রাজপথের আসল লড়াইয়ে যাদের অবদান সবচেয়ে বেশি ছিল, আজ দলীয় নানা সমীকরণে তাদের যথাযোগ্য মূল্যায়ন ও সম্মান দেওয়া হচ্ছে না, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।”

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দল ও জাকির খানের প্রতি তাদের আনুগত্য অতীতের মতোই অটুট রয়েছে। তবে রাজপথের পরীক্ষিত ও ত্যাগী কর্মীদের যোগ্য সম্মান না দিলে আন্দোলন-সংগ্রামের প্রকৃত আদর্শ ক্ষুণ্ন হবে বলে মনে করেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বিভাগীয় সংবাদ এক ক্লিকেই