বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণা :
সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন সিটি নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা ছয় বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা: ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে সিটি নিউজের সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন।

হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর সবচেয়ে বেশি নির্যাতন করেছে আওয়ামী লীগ: সজল

সিটি নিউজ / ১৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬

দেশের স্বাধীনতার পর থেকে গত ১৫ বছরে আওয়ামী শাসন আমলে হিন্দু সম্প্রদায় সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল। তিনি বলেছেন, “আপনারা বিশ্লেষণ করে দেখবেন, স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে গত আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায় সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছে আওয়ামী লীগের দ্বারা।”

মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের উদ্যোগে আয়োজিত এক আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিএনপিকে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রকৃত বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে মনিরুল ইসলাম সজল বলেন, “বিএনপি সবসময় আপনাদের পাশে ছিল এবং আপনাদের যেকোনো প্রয়োজনে দলের নেতা-কর্মীরা পাশে থেকে কাজ করেছেন। দেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে আমাদের দলের নেতা-কর্মীরা আপনাদের মন্দির পাহারা দিয়ে সুরক্ষা নিশ্চিত করেছেন।”

তিনি আরও বলেন, “একটি গোষ্ঠী নাশকতা ও নির্যাতনের পরিকল্পনা করেছিল, কিন্তু আমাদের দল ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কড়া নির্দেশ ছিল—বাংলাদেশের কোনো হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর যেন একটি আঘাতও না লাগে। জাতীয়তাবাদী দলের নেতা-কর্মীরা সেই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন।”

সংখ্যালঘু পরিচয়ের মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে যুবদলের এই নেতা বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তারেক রহমান সবসময় বলেন—আমরা সবাই বাংলাদেশি। রাষ্ট্রীয় ও সরকারি সুবিধা ভোগ করার ক্ষেত্রে আপনার যতটুকু অধিকার আছে, আমারও ঠিক ততটুকু আছে। তাই নিজেদের সংখ্যালঘু ভেবে কখনো মন দুর্বল করবেন না। বাংলাদেশে সবাই বাংলাদেশি হিসেবে পরিচিত হবে, এখানে সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।”

বক্তব্যের শেষে তিনি উপস্থিত সবাইকে আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানান এবং সবসময় হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বিভাগীয় সংবাদ এক ক্লিকেই