নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপুর বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে দাবি করেছেন সদর থানা যুবদল নেতা শিকদার বাপ্পী চিশতী। তিনি বলেছেন, রাজনৈতিকভাবে পেরে উঠতে না পেরে তার ভাবমুর্তি নষ্ট করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে একটি চক্র। ওই চক্রটি টিপুকে নানাভাবে বির্তকীত করার জন্য মিশনে নেমেছেন। তবে তাদের কোন ষড়যন্ত্রই কাজে আসবে না বলেও জানান এ নেতা।
রোববার (২৪ মে) সকালে নগরীর নিতাইগঞ্জ এলাকায় একটি পারিবারিক অনুষ্ঠান শেষে গণমাধ্যমকে দেয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।
বাপ্পী বলেন, বিএনপির দুঃসময়ে প্রাণের মায়া ছেড়ে দিয়ে যেসকল নেতাকর্মীরা রাজপথে থেকে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলেন, বজ্রকন্ঠে আওয়াজ তুলেছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল আল ইউসুফ খান টিপু। তিনি বিগত দিনে বিএনপির আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে একাধীকবার কারানির্যাতন সহ নানা ত্যাগ শিকার করেছেন। দুঃসময়ে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে আলোর মুখ দেখিয়েছেন। তার মত একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র কোনভাবেই তৃণমূল নেতাকর্মীরা মেনে নিবে না।
তিনি বলেন, আমাদের নেতা টিপু ভাই একজন স্পষ্টভাষি এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদি কন্ঠস্বর। তিনি অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ না করে থাকতে পারেন না। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ বিএনপিতে তিনি একজন জনপ্রিয় নেতা। আর তাই তার এ জনপ্রিয়তায় ঈর্শান্বিত হয়ে এবং রাজনৈতিকভাবে তার সাথে পেরে উঠতে না পেরে তার বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র শুরু করেছে একটি স্বার্থান্বেষী মহল।
সদর থানার এ যুবদল নেতা বলেন, সম্প্রতি আদালতপাড়ায় একজন নারী আইনজীবী মহানগর বিএনপির একজন শীর্ষ নেতা হওয়া সত্বেও টিপু ভাইয়ের সাথে চরম বেয়াদবি ও তাকে অকথ্যভাষায় গালিগালাজ করেন। টিপু ভাই এর প্রতিবাদ করতে গেলে, তাকে নিয়ে অপপ্রচার শুরু করেন তিনি। আমরা জানিনা, একজন সিনিয়র নেতার সাথে এমন আচরণ করার সাহস ওই নারী আইনজীবী কোথা থেকে পান? তবে আমরা বুঝতে পারছি যে, তার সাথে ওই স্বার্থান্বেষী মহলটি রয়েছে। যে মহলের ইন্দনেই তিনি এতটা লাফালাফি করছেন।
শিকদার বাপ্পী চিশতী আরও বলেন, তারা যদি মনে করে টিপু ভাই একা। তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে তাকে ঘায়েল করবেন। ভুল। আমরা বলছি, আপনারা এখনও বোকার স্বর্গে বাস করছেন। যে নেতাটি দলের জন্য জীবন বাজি রেখেছিলেন, দুঃসময়ে প্রতিটি নেতাকর্মীদের খোঁজ খবর নিয়েছেন, ছায়ার মত পাশে থেকেছেন, সেই নেতার গায়ে সামান্য পরিমানও যদি আঁচ লাগে, তাহলে গোটা শহর অচল হয়ে যাবে। তার হাজার হাজার কর্মী-সমর্থেরা রাজপথে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলে আপনাদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিবে। তাই বলছি, এখনও সময় আছে সাবধান হয়ে যান। নয়তো, আপনাদের পরিনাম খুব একটা ভালো হবে না।
তিনি বলেন, ওই স্বার্থান্বেষী মহলটি এক একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের টার্গের করে ষড়যন্ত্র করছে। এ বিষয়ে দলের প্রতিটি নেতাকর্মীদের সর্তক থাকতে হবে। আসলে তারা ফ্যাসিস্টদের ইশারায় কাজ করছে। তাদের উদ্দেশ্য হলো, দলের ভিতরে থেকে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে দলের ভাবমুর্তি নষ্ট করা। তাই এখন সময় এসেছে এদেরকে চিহ্নিত করার। যদি এদের চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয়, তাহলে অধির ভবিষ্যতে দলকে এর চরম মাশুল গুনতে হবে। তাই দলের হাইকমান্ডদের কাছে আমরা তথা সদর থানা যুবদলের অনুরোধ থাকবে, তারা যেন দ্রুত এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রদক্ষেপ গ্রহণ করে।