নারায়ণগঞ্জ শহরের জামতলা এলাকায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরনো সড়কে তোষকে মোড়ানো অবস্থায় মোতালেব হোসেন (৫৫) নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে শ্বাসরোধ ও নির্যাতনের পর হত্যা করে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে ফেলে রাখা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত মোতালেব হোসেন লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ থানার শিবপুর গ্রামের মৃত ছলেমান মিয়ার ছেলে। তিনি বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকার সাজেদা মঞ্জিলে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করতেন। তিনি মাসদাইর বাজারে “সুমাইয়া টেলিকম ও বুক” নামে একটি ফ্যাক্স ও লোডিংয়ের দোকান পরিচালনা করতেন।
নিহতের শ্যালক (অবসরপ্রাপ্ত) সার্জন এমডি কামাল জানান, গত ১ জুলাই সকাল আটটার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি মোতালেব হোসেন। পরে দিনভর খোঁজাখুঁজির পর রাতে ফতুল্লা মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
পরে ২ জুলাই সকালে স্থানীয়রা জামতলা এলাকায় সড়কের পাশে তোষকে মোড়ানো একটি মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং শনাক্তের পর নিশ্চিত হয় এটি মোতালেব হোসেনের।
ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মো. ওয়াসিম খান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভিকটিমকে শ্বাসরোধ ও শারীরিক নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়। পরে পরিচয় গোপন ও মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে তোষকে মোড়িয়ে সড়কে ফেলে রাখা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে একাধিক টিম কাজ করছে।