মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণা :
সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন সিটি নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা ছয় বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা: ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে সিটি নিউজের সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন।

শতবর্ষের আবাসস্থল রক্ষার আকুতি: পানগাঁও-জালকুড়ি সড়ক নির্মাণে বিকল্প পরিকল্পনার দাবি

সিটি নিউজ / ২৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের পানগাঁও থেকে জালকুড়ি বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত প্রস্তাবিত নতুন সড়ক নির্মাণের জন্য চলমান ভূমি সার্ভে ও অধিগ্রহণ কার্যক্রম স্থগিত করে বিকল্প পরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকার সর্বস্তরের জনগণ।

এ দাবিতে তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি লিখিত আবেদনপত্র পাঠিয়েছেন। আবেদনপত্রটি নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো: রায়হান কবির এর মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়েছে।

আবেদনে বলা হয়, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ০৮/০৩/২০২৬ তারিখের একটি স্মারকের মাধ্যমে পানগাঁও-জালকুড়ি সড়ক নির্মাণে ভূমি অধিগ্রহণের উদ্যোগের কথা তারা জানতে পেরেছেন। প্রস্তাবিত অধিগ্রহণের আওতায় অসংখ্য বসতবাড়ি, মিল-কারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, কবরস্থান, হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, এখানে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ পরিবার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বসবাস করছে। অধিগ্রহণ বাস্তবায়িত হলে হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে, শত শত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে এবং হাজারো মানুষ কর্মসংস্থান হারাবেন।

আবেদনে এলাকাবাসী উল্লেখ করেন, আমরা উন্নয়নের বিরোধী নই। কিন্তু এমন কোনো উন্নয়ন গ্রহণযোগ্য হতে পারে না, যার জন্য হাজার হাজার মানুষ তাদের শতবর্ষের আবাসস্থল ও জীবিকার উৎস হারিয়ে সর্বশান্ত হয়ে পড়ে।

তারা জানান, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিলেও বহু বছরের গড়ে ওঠা সামাজিক বন্ধন, ব্যবসায়িক অবকাঠামো ও ধর্মীয় অনুভূতি ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।

এলাকাবাসীর ৪ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে:

(১) প্রস্তাবিত সড়কের জন্য চলমান সব ভূমি সার্ভে ও অধিগ্রহণ কার্যক্রম অবিলম্বে স্থগিত করা।
(২) স্থানীয় জনগণ, জনপ্রতিনিধি ও অংশীজনদের নিয়ে উন্মুক্ত গণশুনানির আয়োজন।
(৩) জনবসতি ও স্থাপনা রক্ষায় বিকল্প রুট নির্বাচন বা বিদ্যমান সড়ক উন্নয়নের সম্ভাব্যতা যাচাই।
(৪)জনগণের সম্মতি ছাড়া কোনো ভূমি অধিগ্রহণ না করার নির্দেশনা।

আবেদনকারীরা বিশ্বাস করেন, প্রধানমন্ত্রীর মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক নেতৃত্বে তাদের এই ন্যায্য দাবি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বিভাগীয় সংবাদ এক ক্লিকেই