শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণা :
সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন সিটি নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা ছয় বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা: ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে সিটি নিউজের সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন।

কাশীপুরে অটোরিকশাচালককে গলা কেটে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় গ্রেপ্তার-১

সিটি নিউজ / ২৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬

ফতুল্লায় যাত্রীবেশে অটোরিকশায় উঠে ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে চালককে গলা কেটে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় প্রধান আসামি আব্দুর রাহিমকে (২৯) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১। এসময় ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি ছুরিও উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার (২২ মে) রাত ২টার দিকে ফতুল্লার উত্তর দেওভোগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুর ১২টার দিকে ফতুল্লার কাশীপুর বাংলাবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। র‌্যাব-১১ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

গুরুতর আহত অটোরিকশা চালকের নাম আমিনুল ইসলামকে (৪৮)। তিনি গাইবান্ধা জেলার মফিজার রহমানের ছেলে এবং জীবিকার তাগিদে ফতুল্লার মাসদাইর বাজার এলাকার সুলতান হাজীর বাড়িতে ভাড়া বাসায় থাকতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে দুই ব্যক্তি যাত্রী সেজে আমিনুল ইসলামের অটোরিকশায় ওঠে। কাশীপুর বাংলাবাজার এলাকায় পৌঁছানোর পর তারা পেছন দিক থেকে ধারালো ছুরি দিয়ে চালকের গলায় আঘাত করে। এতে তার গলার একটি রগ কেটে যায়। পরে অটোরিকশা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে চালক বাধা দেন। এসময় তার হাতেও ছুরিকাঘাত করা হয়।

চালকের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

র‌্যাব জানায়, ঘটনার পরপরই জড়িতদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। একপর্যায়ে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি আব্দুর রাহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নারায়ণগঞ্জ র‌্যাব-১১ কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার নাঈম উল হক জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রমের জন্য ফতুল্লা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বিভাগীয় সংবাদ এক ক্লিকেই