বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণা :
সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন সিটি নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা ছয় বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা: ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে সিটি নিউজের সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন।

আদালতপাড়ায় পুলিশের সামনে নাসির হত্যা মামলার আসামিকে মারধর

সিটি নিউজ / ৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

ফতুল্লার চানমারী এলাকার আলোচিত ডিশ ব্যবসায়ী নাসির হত্যা মামলার প্রধান আসামি শরিফকে আদালতে হাজির করার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা তার ওপর চড়াও হয়েছে। এক পর্যায়ে পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নিয়ে গণপিটুনি দেয়।

এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হওয়া স্থানীয় বাসিন্দারা “খুনির ফাঁসি চাই”, “শরিফের ফাঁসি চাই” সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে আসামিকে আদালত কক্ষে নেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলামের আদালতে পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে নেয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে। পরে শুনানি শেষে আসামির বিরুদ্ধে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

এদিকে আদালতের শুনানি শেষে আসামি শরিফের ফাঁসির দাবিতে আবারও বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

পাঁচ দিন রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক আব্দুস সামাদ জানান, মামলার আসামি শরিফ গত ১৭ জুন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। এরপর থেকে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে ছিলেন। আজ রিমান্ড শুনানির জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ১৪ মে ফতুল্লার চানমারী মাউরাপট্টি এলাকায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নৃশংসভাবে খুন হন ডিশ ব্যবসায়ী নাসির। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আসামি শরিফ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে নাসিরের সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করেন। নাসির আত্মরক্ষার চেষ্টা করলেও হামলাকারীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হন।

রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। হত্যাকাণ্ডের পরপরই ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা একটি ছোরা উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহত নাসিরের পরিবারের পক্ষ থেকে ফতুল্লা মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। তদন্তের একপর্যায়ে প্রধান অভিযুক্ত শরিফ আত্মসমর্পণ করলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

বর্তমানে মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যার নেপথ্যের কারণ, পরিকল্পনা এবং অন্য কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বিভাগীয় সংবাদ এক ক্লিকেই