শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণা :
সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন সিটি নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা ছয় বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা: ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে সিটি নিউজের সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন।

তারেক রহমানের একত্রিশ দফা নিয়ে 

স্মার্ট না.গঞ্জ গড়তে নির্বাচনী মাঠে নামলেন প্রফেসর আলিয়ার হোসেন

সিটি নিউজ / ৭২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ করেছেন লন্ডনের নর্থামব্রিয়া ইউনিভার্সিটির বিভাগীয় প্রধান ও ড্যান্ডি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আলিয়ার হোসেন। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিকালে শহরের পাক্কারোড এলাকা থেকে তিনি এ লিফলেট বিতরণ শুরু করেন। পরে তিনি নগরপার্কসহ বিভিন্ন এলাকায় এ লিফলেট বিতরণ করেন।

লিফলেট বিতরণ শেষে প্রফেসর আলিয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, আমরা আজ তারেক রহমানের ৩১ দফা প্রচারণা করছি। আপনারা জানেন বাংলাদেশ আজ খুবই বিপদের মুখে। গত ১৫ সতেরো বছরে বাংলাদেশে তেমন কিছুই হয়নি। এ দেশকে এগিয়ে নিতে যেতে আমাদের তারেক রহমান যে একত্রিশ দফা দিয়েছে, সেটা রাষ্ট্রকাঠামো গঠনে একটি সুন্দর ও চমৎকার নিয়ম-নীতি। আমি সেটাই জনসাধারণের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, আমি আসলে বিএনপিতে নতুন নই। পর্দার অন্তরালে থেকে আমি দীর্ঘ বহু বছর ধরে বিএনপির সাথে জড়িত। আমার আতাউর হোসেন সামছু চাচা, তিনি দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আমার মামা, তিনি তিনবার এমপি ছিলেন। হাসিনাকে এদেশ থেকে তাড়াতে আমাদের অবদান অনেক রয়েছে।

তিনি নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী জানিয়ে আরও বলেন, আমি নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি থেকে একজন মনোয়ন প্রত্যাশী। আমি যদি নমিনেশন পাই এবং আপনাদের ভোটে জয়যুক্ত হতে পারি ইনশাআল্লাহ্ নারায়ণগঞ্জকে একটি টেকসই, স্মার্ট ও আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে তোলবো।

তিনি তার নির্বাচনী ইশতেহার তুলে ধরে বলেন, এ শহরকে একটি স্মার্ট ও আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আমার কিছু নির্বাচনী ইশতেহার আছে, সেগুলো হলো- স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, উন্নত ড্রেনেজ সিস্টেম, শীতলক্ষ্যা নদীতে তিনটি নতুন সেতু তৈরি, নদীর তীরে ১ হাজার আবাস প্রকল্প স্থাপন, আন্তর্জাতিক মানের মা ও শিশু হাসপাতাল, আধুনিক ক্যান্সার হাসপাতাল, হৃদরোগ ও কিডনি হাসপাতাল, আর্ন্তজাতিক বিশ^বিদ্যালয়, মহিলা কারিগরি কলেজ, মেডিকেল ও নাসিং বিশ^বিদ্যালয়, কলেজ ও বিশ^বিদ্যালয় আধুনিকীকরণ, ১৫টি খেলার মাঠ নির্মাণ, ৫টি নতুন মিনি খান ও দৃষ্টিনন্দন পার্ক, আড়াললক্ষ বৃক্ষরোপন কর্মসূচি, মাদকমুক্ত নারায়ণগঞ্জ গঠন ও পর্যটন আর্কষন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি।

এক প্রশ্নের জবাবে প্রফেসর আলিয়ার হোসেন বলেন, আসলে নারায়ণগঞ্জ একটি অযোগ্য শহরে পরিনত হয়েছে। আমি যদি ৫ বছর দেশের বাইরে থেকে আসি, এ নারায়ণগঞ্জ দেখে হয়তো আসতে মন চাইবে না। আর একটি নারায়ণগঞ্জের মানুষের একটি টাকা-পয়সা হলেই তারা গুলশান-বনানীতে চলে যায়। ওখানে ছেলে-মেয়েদের ভালো ভালো স্কুল-কলেজে পড়ায়। কেন এটা হবে? আমি নারায়ণগঞ্জের ছেলে, আমি নারায়ণগঞ্জবাসীকে এই সেবা দিতে চাই যাতে কাউকে নারায়ণগঞ্জ ছেড়ে যেতে না হয়। আমি এ নারায়ণগঞ্জকে একটি বাসযোগ্য স্মার্ট ও আধুনিক শহরে পরিনত করতে চাই। সেই চিন্তাভাবনা থেকেই আমি এমপি প্রার্থী হয়েছি।

এসময় তার সাথে ছিলেন, মো: ইসমাইল হোসেন, মো: মাসুম, জনি, হৃদয়, জাকির, রহিম, চঞ্চল, সুমন, গরিব হোসেন, বাপ্পি, বাদশা ও শিপলুও আরও অনেকে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বিভাগীয় সংবাদ এক ক্লিকেই