‘আমি সকল নাগরিকদের প্রশাসক হতে চাই’ উল্লেখ করে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সকল মানুষ আমার কাছে সমান। এখন আমি প্রশাসক হিসেবে মনেকরি, প্রশাসক হিসেবে আমি একজন নিরপেক্ষ ব্যক্তি। সকল দলের নেতৃবৃন্দ আমাকে যেভাবে দিকনির্দশনা দিবেন আমি সেভাবেই কাজ করার চেষ্টা করবো। আমি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সকল নাগরিকদের প্রশাসক হতে চাই। আমি সকল নাগরিকদের সাথে কথা বলতে চাই এবং সকলকে নিয়েই সকল সমস্যার সমাধান করতে চাই।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে নগরভবনের অডিটোরিয়ামে নগরীর প্রধান প্রধান সড়কের ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদ ও যানজট নিরসনের লক্ষ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সাথে মত বিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
নাসিক প্রশাসক বলেন, ফুটপাত মানুষের হাঁটার জন্য। ফুটপাত থেকে হকারদের সরানো গেলে চাঁদাবাজিও বন্ধ হয়ে যাবে। হকারদের এর আগেও পুনর্বাসন করা হয়েছিল। সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে সলিমউল্লাহ সড়কে ‘হকার্স মার্কেটও’ করা হয়েছিল। কিন্তু তারা সেই দোকানগুলো বিক্রি করে দিয়েছে এবং এখন তা কয়েক হাত ঘুরে মালিকানাও বদল হয়ে গেছে। ফলে, ওই হকার্স মার্কেট ভেঙে দিয়ে তা উন্মুক্ত করারও ঘোষণা দেন তিনি।
অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত বলেন, আগামী ১৩ এপ্রিল দুপুর আড়াইটায় ফুটপাত হকারমুক্তের কার্যক্রম শুরু করবেন করা হবে। এর আগে সারা নারায়ণগঞ্জে মাইকিং করা হবে। আমি এতে রাজনৈতিক সংগঠনসহ সকলের সহযোগিতাও কামনা করছি।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ূন কবির, মহানগর বিএনপির যুগ্ম মনির হোসেন খান, ফতেহ্ মোহাম্মদ রেজা রিপন, আবুল কাউসার আশা, মহানগরীর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মনোয়র হোসেন, খেলাফত মসজিদের সাধারন সম্পাদক ইলিয়াস আহমেদ, বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি, মাওলানা আঃ আউয়াল, বিশিষ্ট শ্রমিকনেতা মন্টু ঘোষ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ, জেলা গণসংহতির প্রধান সময়কারী তারিকুল ইসলাম, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, জেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার নাহিদ প্রমূখ।