মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণা :
সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন সিটি নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা ছয় বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা: ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে সিটি নিউজের সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন।

এবার মানবিক কাজে ‘হ্যালো গাইস’র সদস্যরা

সিটি নিউজ / ১৬১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে সোশ্যাল মিডিয়ার অন্যতম একটি জনপ্রিয় গ্রুপ হলো ‘হ্যালো গাইস’। কখনও ভ্রমণ, কখনও রাজনৈতিক আবার কখনওবা সামাজিক কর্মকান্ড নিয়ে এ দলের সদস্যদের দেখা যায়। একঝাঁক হাস্যরশিক তরুণ এ প্লাটফর্মে বিভিন্ন স্থানের ভিডিও চিত্র তুলে ধরে গাইসদের সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করে। একটা সময় ফেসবুক ওপেন করলেই তাদের এ সমস্ত একাধীক ভিডিও চিত্র চোখের সামনে ভেসে উঠতো। কেউ তাদের এ কার্যক্রমকে বহু প্রশংসা করতো আবার কেউ কট্টর সমালোচনা করতো। তবে প্রশংসার চাইতে সমালোচনাটাই বেশি হতো। আর এ সমালোচনা একটা সময় রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে মিডিয়া পাড়ায় পর্যন্ত পৌছে যায়। তবুও থেমে থাকেননি এ প্লাটফর্মটির প্রধান সমন্বয়ক মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া। বরং কার্যক্রম বাড়িয়ে দিয়ে এ প্লাটফর্মটিকে তিনি আরও বেশি পপুলার করে তোলেন। শুধু তাই নয়, যারা এ প্লাটফর্মটি নিয়ে কট্টর সমালোচনা করতো, তাদের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষকেই এ প্লাটফর্মে নিয়ে আসতে সক্ষম হয় জিয়া। ফলে বর্তমানে কট্টর সমালোচনাকারিদেরও ‘হ্যালো গাইস’ নিয়ে পজেটিভ মন্তব্য করতে দেখা যায়।

এতদূর পেড়িয়ে আসা হয়তো জিয়ার একার পক্ষে সম্ভব হতো না, যদি না তার বন্ধুরা অর্থ্যাৎ হ্যালো গাইস সদস্যরা তাকে সহযোগীতা না করতো। তাই প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে জিয়া তার বন্ধুদের এই সহযোগীতার কথা কৃতজ্ঞতা চিত্তে তুলে ধরেন। জিয়ার সহযোগী যোদ্ধাদের তালিকায় রয়েছে সাজু দেওয়ান, শাহীন আহমেদ, সুমন দেওয়ান, সেলিম ও কামালসহ আরও অনেকে। এসব তরুণ যোদ্ধাদের নিয়ে জিয়া হ্যালো গাইসকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। একের পর এক মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আরও বেশি সক্রিয় করে তুলছেন হ্যালো গাইসকে। বিভিন্ন জাতীয় কর্মসূচিতে তারা দুস্থ অসহায় ও মাদরাসার এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার বিতরণসহ নানাভাবে সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করছেন। চলমান পবিত্র মাহে রমজান মাসেও বসে নেই তারা। রমজানের প্রায় প্রতিদিনই দুস্থ অসহায় ও দিনমজুরদের হাতে সেহরীর খাবার তুলে দিয়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন তারা।

প্রতি মধ্যরাতে নগরী কিংবা নগরীর বাইরে বিভিন্ন স্থানে রাস্তার পাশে শুয়ে থাকা ছিন্নমূল দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে সেহরীর খাবার তুলে দিচ্ছেন প্রধান সমন্বয়ক জিয়া ও সদস্য সাজু দেওয়ান সহ তার হ্যালো গাইসের অন্যান্য সদস্যরা। তাদের এ সমস্ত কার্যক্রমকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন নগরবাসী।

নগরবাসীরা বলছেন, তরুণরা যদি সঠিক উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে চলতে পারে তাহলে সমাজ হবে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল। তবে কাজ করতে গেলে ভুল হতেই পারে। সেগুলো ভুল হিসেবে দেখে আমাদের উচিৎ এ তরুণদের পাশে দাঁড়ানো। তারা যে আজ ভালো কাজে ভূমিকা রাখছে, আমাদের উচিৎ তাদের ছায়াসঙ্গী হয়ে তাদের পাশে থাকা, তাদেরকে উৎসাহ দেয়া এবং তাদের এ সমস্ত সকল ভালো কাজে তাদের সহযোগীতা করা। তবেই তারা অনুপ্রাণিত হয়ে ভালো কাজে আরও বেশি ভূমিকা রাখবে।

এ বিষয়ে ‘হ্যালো গাইস’র প্রধান সমন্বয়ক জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, আসলে সমাজে ভালো কাজ করতে গেলে কত জনে কত কথাই বলে। কেউ ভালো বলবে আবার বেশির ভাগই সমালোচনা করবে। আসলে এসব আমরা কাউন করি না। আমরা আমাদের মত চলছি এবং ভবিষ্যতে আমাদের মতই চলতে চাই। কাউকে দেখানোর জন্য আমরা কিছু করি না। আমরা মনেকরি, এ সমাজের প্রতি প্রতিটি মানুষের দায়বদ্ধতা আছে। নিজ নিজ অবস্থান থেকে সমাজের জন্য কিছু করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মূলত সেই দায়বদ্ধতা থেকেই আমরা তথা ‘হ্যালো গাইস’র সদস্যরা মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায়। এখন যারা সামর্থ্য থাকা সত্বেও এ দায়বদ্ধতাকে এড়িয়ে যেতে চান, তারাতো এটাকে খারাপ বলবেই। সুতরাং তাদের কথায় আমাদের কিছু যায় আসে না। কারণ, আমরা বিশ্বাস করি ভালো কাজ করলে আর কেউ থাকুক আর না থাকুক সর্বশক্তিমান আল্লাহ্ পাশে থাকেন। আমরা তার উপরই ভরসা করে আছি এবং ভবিষ্যতে তার উপরই ভরসা করে এগিয়ে যাবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বিভাগীয় সংবাদ এক ক্লিকেই